ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের নিয়ম - এনআইডি সেবা

ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের নিয়ম

 ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের নিয়ম

বর্তমান সময়ে ভোটার আইডি কার্ড খুবই গুরুত্বপূর্ণ একিট ডকুমেন্ট। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ভোটার আইডি কার্ডের গুরুত্ব কতটা তা নতুন করে বর্ণনা করার কোন প্রয়োজন নেই, কারণ আমরা সেটা সকলেই জানি। যেহেতু ভোটার আইডি কার্ড আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট সেহেতু ভোটার আইডি কার্ডে ছোট কিংবা বড় কোন প্রকার ভুল থাকা উচিত নয়। ভোটার আইডি কার্ডের ভুল নিয়ে মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। কারো ভোটার আইডি কার্ডে জন্ম তারিখ ভুল আবার কারো ভোটার আইডি কার্ডে নাম ভুল। অনুরুপভাবে অনেকের ভোটার আইডি কার্ডে স্থায়ী ঠিকানা ভুল হয়েছে। এই পোষ্টের মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানার ভুল সংশোধন সম্পর্কে সম্পূর্ণ সঠিক পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করবো। আমার দেয়া পরামর্শ অনুযায়ী যদি আপনি আবেদন করেন তাহলে খুব সহজেই কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়া আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন করিয়ে নিতে পারবেন। 


ভোটার আইডি কার্ডের উপর কোন ঠিকানা লেখা থাকে?

প্রত্যেকটি এনআইডি কার্ডের তথ্যে দুইটা ঠিকানা উল্লেখ থাকে। যে ঠিকানা এনআইডি কার্ডের উপর লেখা থাকে সেটি অধিকাংশ সময়ই বর্তমান ঠিকানা হয়ে থাকে। কিছু কিছু ব্যক্তিদের এনআইডি কার্ডে স্থায়ী ঠিকানা লেখা থাকে। কেন অধিকাংশ ভোটার আইডি কার্ডে বর্তমান ঠিকানা লেখা থাকে? কিংবা কেনই বা কিছু কিছু মানুষের এনআইডি কার্ডে স্থায়ী ঠিকানা লেখা থাকে সে বিষয়ে হয়তো আপনাদের সুস্পষ্ট ধারণা নেই। 

যখন একজন ব্যক্তি  নতুন ভোটার হয় তখন ভোটার নিবন্ধন ফরমের পিছনের পাতায় বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা লেখার জায়গা থাকে। এই ঠিকানা থেকেই একটি ঠিকানা এনআইডি কার্ডের পিছনে লেখা থাকে। ভোটার নিবন্ধন ফরমে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা যদি আলাদা আলাদা লেখা হয় তাহলে কার্ডের উপর কোন ঠিকানা লেখা থাকবে? ভোটার আইডি কার্ডের উপর সেই ঠিকানাই লেখা থাকবে যে ঠিকানায় আপনি ভোট দিতে ই্চ্ছুক থাকবেন। ভোটার নিবন্ধন ফরমের প্রথম পাতায় ১ নং ক্রমিকে ভোটার এলাকার নাম এই স্থানে যে ঠিকানা উল্লেখ করবেন সেই ঠিকানাই কার্ডের পিছনে লেখা থাকবে।

কেন ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা ভুল হয়?

অনেকেই আছেন যারা নানাবিধ প্রয়োজনে নিজ এলাকার বাইরে বসবাস করতেন এবং ভোটার নিবন্ধনের কাজ শুরু হলে সেখানেই ভোটার হয়েছেন। এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ভোটার নিবন্ধন ফরম পূরণের সময় ভুলবসত বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা দুইটা আলাদা আলাদা না লিখে দুইটাই অস্থায়ী ঠিকানা লিখে দেয়া হয়। যখন তিনি ভোটার এলাকা স্থানান্তর করে নিজের স্থায়ী ঠিকানায় ফিরে আসেন তখন শুধু বর্তমান ঠিকানাটাই পরিবর্তন হয়। স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন হয় না এবং পূর্বের ঠিকানা লেখা থাকে। ফলে ওই ব্যক্তির স্থায়ী ঠিকানা ভুল প্রতিপন্ন হয় যা সংশোধনের আবেদন করে ঠিক করে নিতে হয়। 

ভোটার নিবন্ধন ফরম-২ পূরণের সময় যদি স্থায়ী ঠিকানা লিখতে গিয়ে বানান ভুল হয় সেক্ষেত্রে এনআইডি কার্ডের তথ্যে ভুল চলে আসে যা সংশোধনের আবেদন করে ঠিক করা ছাড়া উপায় থাকে না। তবে এ ধরণের ভুলের পরিমান খুব কম।


অধিকাংশ মেয়েরা পিতার বাড়িতে থাকাকালীন নতুন ভোটার হওয়ার সময় বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার জায়গায় একই ঠিকানা লিখে ভোটার হয়। যদিও অবিবাহিত মেয়েদের ক্ষেত্রে এটিই প্রযোজ্য কিন্ত বিয়ের পরে স্বামীর বাড়িতে চলে আসার পর ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করলে তাদের বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তন হয়ে গেলেও স্থায়ী ঠিকানা তাদের পিতার ঠিকানাই থেকে যায়। এদের ক্ষেত্রের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের আবেদন করে ঠিক করে নিতে হয়। 

ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের আবেদন পদ্ধতি (Permanent Address Change In Nid):-

বর্তমানে ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের আবেদন অনলানেই করা যায় না। হয়তো ভবিষ্যতে অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করার সুযোগ দেয়া হতে পারে।

এনআইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করতে হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হবে। অফিস থেকে ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন ফরম- ২ সংগ্রহ করে পূরণ করতে হবে। ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন ফি হিসাব করে নিয়ে রকেট এ্যাপের মাধ্যমে অথবা বিকাশ এ্যাপের মাধ্যমে পরিশোধ করতে হবে। ফি পরিশোধের ট্রান্সজেকশন নম্বর সংশোধনী ফরমের উপর লিখে দিতে পারেন অথবা ফি জমাদানের রশিদসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনের সাথে পিন-আপ করে অফিসে জমা দিতে হবে। 

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/কর্মচারী আবেদন গ্রহণ করে আবেদনের নিচের অংশ কেটে আপনাকে দেবে (প্রাপ্তি স্লিপ), সেটি যত্ন করে কাছে রেখে দিতে হবে। ভবিষ্যতে ভোটার আইডি কার্ড এর ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে কি না সে বিষয়ে অফিসে খোজ নিতে গেলে প্রাপ্তি স্লিপ টি নিয়ে যেতে হবে। 

ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের জন্য ফরম পূরনের নিয়ম;- 

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য নিম্নোক্ত উপায় সংশোধনী ফরম পূরণ করতে হবে- 

ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের নিয়ম

➤ ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনী ফরম ২ এর ‌১ নং ক্রমিকে আবেদনকারীর নাম লিখতে হবে। 

➤ ২ নং ক্রমিকে আবেদনকারীর এনআইডি নম্বর লিখতে হবে (বাংলায়)।

➤ ৩ নং ক্রমিকে যে টেবিলটি আছে সেটির  (ছ) রো তে স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে। দ্বিতীয় কলামে (বর্তমান জাতীয় পরিচয়পত্রে বা সংরক্ষিত তথ্য উপাত্তে বিদ্যমান তথ্য) ভুল ঠিকানা লিখতে হবে এবং তৃতীয় কলামে (চাহিত সংশোধিত তথ্য) সঠিক ঠিকানা লিখতে হবে। 

➤ টেবিলের ৩ নং কলামে সংযুক্ত দলিলাদি/মন্তব্যের ঘরে যে সকল কাগজপত্র আবেদনের সাথে জমা দেবেন সেগুলোর নাম লিখে দিতে হবে।

➤ ফরমের নিচে ডান পাশে আবেদনকারীর স্বাক্ষর, নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বর লিখতে হবে। 

 (উপরোক্ত ছবিতে আমি যেভাবে ফরম পূরণ করে দেখিয়েছি অনুরুপভাবে আপনিও পূরণ করবেন)।

Nid তে স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য যে সকল কাগজপত্র জমা দেয়া যেতে পারে:- 

ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের জন্য সেই সকল কাগজপত্র আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে যেগুলোতে আপনার চাহিত ঠিকানা সঠিকভাবে লেখা আছে, যেমন-
 

অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ: আবেদনের সাথে অবশ্যই আবেদনকারীর অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি জমা দিতে হবে। (বিবাহিত মহিলারা যদি স্বামীর ঠিকানার ভোটার হয়ে থাকেন এবং জন্ম সনদে যদি পিতার ঠিকানা লেখা থাকে তাহলে তাদের ক্ষেত্রে জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি না দিয়ে স্বামীর এনআইডি কার্ডের কপি জমা দিতে পারেন)


গ্যাস/বিদ্যুৎ/পানি বিলের কপি: আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য আবেদনকারীর নামীয় অথবা বাড়ির যেকোন একজন সদস্যের নামীয় গ্যাস/বিদ্যুৎ/পানি বিলের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)।

চৌকিদারী ট্যাক্স/পৌরকরের রশিদ: আবেদনকারীর নামীয় অথবা বাড়ির যেকোন একজন সদস্যের নামীয় চৌকিদারী ট্যাক্স/পৌরকরের রশিদের কপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য)। 

চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র: সংশ্লিষ্ট এলাকার চেয়ারম্যান অথবা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নিকট থেকে ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের জন্য একটি প্রত্যয়পত্র সংগ্রহ করে আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। 

আবেদনকারীর এনআইডি কার্ডের কপি: আবেদনের সাথে অবশ্যই আবেদনকারীর এনআইডি কার্ডের কপি জমা দিতে হবে।

উপরোক্ত কাগজপত্রগুলো আবেদনের সাথে পিন-আপ করে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিলে খুব সহজেই ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন হয়ে যাবে। অফিস থেকে আবেদনের উপর কার্যক্রম গ্রহণ করার সাথে সাথে আবেদনের সাথে দেয়া মোবাইল নম্বরে ম্যাসেজের মাধ্যমে আপনাকে জানানো হবে। মোবাইলে প্রাপ্ত ম্যাসেজগুলো ভালো করে পড়ে দেখলেই সব বুঝতে পারবেন nid কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন হয়েছে কি না।

প্রথম ম্যাসেজে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এমন বলা থাকবে। দ্বিতীয় ম্যাসেজে আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে বলা থাকবে। যদি আবেদন অনুমোদনের ম্যাসেজ না এসে আরো কাগজপত্র জমা দেয়ার কথা বলা থাকে তাহলে কি কাগজ জমা দিতে হবে ম্যাসেজে উল্লেখ থাকবে। উল্লেখ না থাকলে প্রাপ্তি স্লিপটি নিয়ে অফিসে গিয়ে আবেদনের বর্তমান অবস্থায়সহ বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে হবে। 

তবে অধিকাংশ সময়ই দ্বিতীয় ম্যাসেজে আবেদন অনুমোদন হয়ে যাবে। ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের ক্ষেত্রে উপরোক্ত কাগজপত্রগুলো জমা দিলে নতুন করে আরো কাগজপত্র চাইবে না। তবে আবেদনের সাথে কাগজপত্র কম দিয়ে আবেদন করলে আরো কাগজপত্র চেয়ে ম্যাসেজ করতে পারে।

ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন সম্পর্কে এটিই সঠিক পরামর্শ। আপনি অনুরুপ ভুল সংশোধনের জন্য যদি সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে পরামর্শ গ্রহণ করেন তারাও আপনাকে এই একই পরামর্শ দেবে। আমার দেয়া পরামর্শের সাথে সাথে আপনি চাইলে অফিস থেকেও পরামর্শ নিতে পারেন।

ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের বিষয়ে যদি কোন কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টস করবেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দিতে অবশ্যই চেষ্টা করবো। লেখাটি যদি ভালো লাগে তাহলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ...!

22 মন্তব্যসমূহ

  1. আমার আইডি কার্ড ঠিকানা ছিল ঢাকার এবং স্থায়ী ঠিকানা গ্রাম মুরাদ দর্প নারায়ন পুর ডাকঘর কাফীখাল উপজেলা মিঠাপুকুর জেলা রংপুর ।এখন আমি বর্তমান সাত বছর যাবত গ্রাম ছোট নুরপুর 1২৬ নং ওয়ার্ড ডাকঘর আলমনগর উপজেলা রংপুর সদর জেলা রংপুর বাংলাদেশ ।এই ঠিকানায় ভোটার হতে চাই ।আমাকে সঠিক পরামর্শ দিবেন ।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আপনাকে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে। আপনি যে ঠিকানায় ভোটার হতে চাচ্ছেন সেই ঠিকানার নির্বাচন অফিসে গিয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন করতে হবে। ভোটার এলাকা স্থানান্তর হয়ে গেলে অনলাইনে এনআইডি রিইস্যুর আবেদন করে নতুন একটি এনআইডি কার্ড তুলে নিতে হবে।

      মুছুন
  2. আমার তো জন্ম নিবন্ধন করা নাই এটা ছাড়া কি স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন করতে পারবো?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. জন্ম নিবন্ধন সনদ ছাড়া আবেদন অবশ্যই করতে পারবেন। তবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আপনার আবেদন অনুমোদন দেয়ার আগে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ চেয়ে ম্যাসেজ পাঠাতে পারে। তখন জন্ম নিবন্ধন সনদ জমা না দেয়া পর্যন্ত আবেদন অনুমোদন নাও দিতে পারে।

      মুছুন
  3. ভাই আমি কি এখন এই উপায়ে আমার স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারবো? আমাদের উপজেলা সার্ভার স্টেশনে বলছে এটা নাকি এভাবে হয় না,, আমি এখন কি করতে পারি?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. ঠিকানা পরিবর্তন ও ঠিকানার ভুল সংশোধন দুটো এক জিনিস নয়। এনআইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা ভুল হলে উপরোক্ত উপায়ে আবেদন করে তা ঠিক করে নিতে পারবেন। ঠিকানা পরিবর্তন করতে হলে স্থানান্তরের আবেদন করতে হয়। আপনার কি ধরণের সমস্যা হয়েছে সে বিষয়ে বিস্তারিত লিখে আমাদের ফেজবুক পেজে ম্যাসেজ করতে পারেন, অবশ্যই উত্তর দিতে চেষ্টা করবো। অথবা সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে দেয়া পরামর্শ অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারেন।

      মুছুন
  4. আমার ভোটার স্থানান্তর হওয়ার পর স্থায়ী ঠিকানা আগের টা রয়ে যায়,, নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করলে উনারা বলেন,এমন নাকি নিয়ম নেই? আমি এখন কি করতে পারি?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. ভোটার তথ্যে বিদ্যমান প্রতিটি তথ্যই সংশোধন করা যায়। বর্তমানে এনআইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে না। হয়তো ভবিষ্যতে এ সুযোগ দেয়া হতে পারে। এমনও হতে পারে অফিস থেকেও স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের কাজ বন্ধ রয়েছে এবং বন্ধ থাকলে সেটা আলাদা কথা। কিন্ত স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের বিষয়ে তাদের পরামর্শ কি? তারা কোন পরামর্শ আপনাকে দেয়নি? আপনি তো ভুল তথ্য রেখে দেবেন না, আপনাকে সেটি সংশোধন করতে হবে। আমি যতদুর জানি অফিসে আবেদন করে ভোটার আইডি কার্ডের স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন করা যায় এবং কিভাবে আবেদন করতে হয়, কি কি কাগজপত্র লাগে সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এই পোষ্টে দেয়া হয়েছে।

      মুছুন
    2. আমি এনআইডি আবেদন ফরম এবং আমার সব তথ্য মেম্বার চেয়ারম্যান থেকে সত্যায়িত করে উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে জমা দিয়েছি, ঐসময় বলেছে মোবাইলে ম্যাসেজ দিয়ে ডাকবে আংগুলের চাপ এবং ছবি তোলার জন্য কিন্তু এক সপ্তাহ হয়ে গেল কোন এসএমএস আসছেনা এখন কি করব পরামর্শ চাই।

      মুছুন
    3. এক্ষেত্রে দুইটা কাজ করতে পারেন প্রথমত, অফিসে গিয়ে দ্রুত আপনার কাজটি করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, ম্যাসেজ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তবে আপনার কাজটি যদি জরুরী হয় তাহলে অফিসে যোগাযোগ করে করিয়ে নেয়া ভালো।

      মুছুন
  5. এভাবেই স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের আবেদন করলে পরবর্তীতে স্থায়ী ঠিকানা যদি ঠিকভাবে করে দেয়া হয় তাহলে ভোটার আইডি কি নতুন করে আবার দিবে স্মার্ট কার্ডের ক্ষেত্রে

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন করার পর সংশোধিত নতুন এনআইডি কার্ড দেয়া হয় না। পূর্বের এনআইডি কার্ডটি ব্যবহার করতে হয়। তবে এনআইডি কার্ডের পিছনে যদি বর্তমান ঠিকানার পরিবর্তে স্থায়ী ঠিকানা লেখা থাকে তাহলে নতুন সংশোধিত এনআইডি কার্ড আসে।

      মুছুন
  6. বর্তমান ঠিকানা ঠিক রেখে শুধুমাত্র স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করা যাবে কি???

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. হ্যা, উল্লেখিত উপায়ে আপনি আপনার স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন।

      মুছুন
  7. আমার স্হায়ী ঠিকানা আগে ছিল লক্ষীপুর কিন্তু বর্তমানে চট্টগ্রাম করতে চাইছিলাম। সব ডকুমেন্টস দিয়েছি আপনারা যা বলেছেন কিন্তু তারা আমার বর্তমান ঠিকানা চট্টগ্রাম করেছে স্হায়ী ঠিকানা আগেরটাই আছে।

    এটা নাকি সম্ভব না, অথচ আমি যে চট্টগ্রামের স্হায়ী বাসিন্দা সব ডকুমেন্টস দিয়েছি তবুও ঠিকানা লক্ষীপুর ই আছে, এখন আমার করণীয় কি একটু বলেন।
    আমি কি ঢাকা প্রধান নির্বাচন অফিসে লবিং করে স্হায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করতে পারব????

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আপনি যখন স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করার জন্য আবেদন করলেন তখন তার কেন বললো না এটা সম্ভব না? যদি সিস্টেমে স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন বন্ধ থাকে তাহলে আপনার আবেদন আপনাকে ফেরত দিয়ে দেবে তা না করে আপনার বর্তমান ঠিকানা কেন পরিবর্তন করে দিলো? আপনি কি নিশ্চিত যে আপনি স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের জন্য আবেদন করেছিলেন? নাকি ভোটার এলাকা স্থানান্তর করার জন্য আবেদন করেছিলেন? আবেদন করার সময় কত নম্বর ফরম পূরণ করেছিলেন মনে আছে?

      যাইহোক, স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের আবেদন উপজেলা পর্যায়েই দিতে হয়। ঢাকা প্রধান অফিসে আবেদন করা যাবে কি না এ বিষয়ে আমার তেমন কোন ধারণা নেই। তবে আপনি যোগাযোগ অবশ্যই করে দেখতে পারেন।

      মুছুন
  8. স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করলে কতদিনের মধ্যে সংশোধন করে এন আইডি কার্ড হাতে পাব?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. কত দিনে স্থায়ী ঠিকানা সংশোধনের আবেদন অনুমোদন হবে সেটা সঠিক করে বলা সম্ভব না। যিনি দায়িত্বে থাকবেন তিনি যেদিন করে দেবেন সেদিন সংশোধন হবে। তবে আনুমানিকভাবে বলা যায় ১০-১৫ দিনের মত সময় লাগতে পারে। তাছাড়া আপনি যদি স্থায়ী ঠিকানার ভোটার না হয়ে বর্তমান ঠিকানার ভোটার হয়ে থাকেন তাহলে স্থায়ী ঠিকানা সংশোধন করলে নতুন কার্ড আসবে না। যে Nid Card টি আপনার আছে সেটিই ব্যবহার করতে হবে।

      মুছুন
  9. আমি স্হায়ী ঠিকানার ১৫ ইউনিয়ন এ ৭ নং ওয়ার্ড এর বাসিন্দা, কিন্তু ভোটার আইডি কার্ডে ভুলে ৯ নং ওয়ার্ড চলে এসেছে। এখন এটা কীভাবে সংশোধন করতে পারব?কি কি করতে হবে?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. যদি আপনার স্থায়ী ঠিকানায় ভুল হয়ে থাকে তাহলে উল্লেখিত উপায়ে সংশোধনের আবেদন করুন ঠিক হয়ে যাবে।

      মুছুন
  10. আমি বর্তমান ঠিকানায় ভোটার, আমার আইডি কার্ডের পিছনে বর্তমান ঠিকানাটা আছে। যদি আমি স্থায়ী ঠিকানায় ভোটার হয়,তবে কি আমার আইডি কার্ডের পিছনের পার্টটার কি পরিবর্তন আসবে বা আমি নতুন করে কার্ড তুলতে পারব অনলাইনে বা অফলাইনে?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. বর্তমান ঠিকানার ভোটারের পরিবর্তে স্থায়ী ঠিকানার ভোটার হওয়ার পর রিইস্যুর আবেদন করে নতুন কার্ড তুলে নিতে হবে। তাহলে কার্ডের পিছনে স্থায়ী ঠিকানা লেখা থাকবে।

      মুছুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
নবীনতর পূর্বতন