নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম - সহজে Online Nid Card ডাউনলোড করুন

নতুন ভোটারদের Nid Card Download করার নিয়ম - সহজে Online Nid Card ডাউনলোড করুন

Nid card check in bangladesh

আপনি যদি নতুন ভোটার হয়ে থাকেন এবং এখনো Nid Card বা ভোটার আইডি কার্ড না পেয়ে থাকেন তাহলে Nid BD ওয়েবসাইট থেকে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই Online Nid Card Download করতে পারবেন মোবাইল অথবা কম্পিউটার দিয়ে। Bangladesh Election Commission এর ওয়েবসাইট থেকে নিজেই নিজের Nid Card Download করা যায় খুব সহজে এবং এর জন্য কোন ফি পরিশোধ করা লাগে না। এই Online Nid Card টি সব ধরণের কাজেই ব্যবহার করা যায়।


যদিও Nid BD এর ওয়েবসাইট থেকে নতুন ভোটারদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা Nid Card Download করার উপায় খুবই সহজ। তবুও অনেকেই Online Nid Card Download করার সঠিক উপায় জানেন না। ফলে তারা নানা ভাবে ভোগান্তিতে পড়েন। Nid card Download করতে খুব বেশি অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আপনি সম্পূর্ণ লেখাটি পড়লে নিজেই Nid BD ওয়েবসাইট থেকে আপনার National Id Card Download করে নিতে পারবেন।

নতুন নতুন পোষ্ট পেতে "গুগল নিউজে আমাদেরকে ফলো করুন"

National Id Card Download করার নিয়ম - Bangladesh National ID Card Check Online 

Nid card check in Bangladesh is really so easy, চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে। অনলাইন থেকে আপনার Nid Card সংগ্রহ করতে বা National Id Card Download করতে হলে আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে। এবার আপনার মোবাইল অথবা কম্পিউটার থেকে একটি ব্রাউজার (গুগল ক্রোম / ফায়ারফক্স) ওপেন করবেন এবং এড্রেস বারে লিখবেন services.nidw.gov.bd এবং এন্টার বাটন প্রেস করবেন। দেখবেন নিচের ছবির মতো একটি ওয়েবসাইট ওপেন হয়েছে। এই সাইটটি Nid BD এর ওয়েবসাইট, যা নাগরিকদের Nid Service দিয়ে থাকে।


নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

আগেই বলে দেই সর্বদা Nid check BD Election Commission এর সাইট থেকেই করা উচিত। অন্যান্য আরো কিছু উপায়ে Nid Card Check করা গেলেও সেখানে Nid Card এর বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায় না। সুতরাং Nid Card Check করার জন্য বা Nid Card Download করার জন্য Bangladesh Election Commission এর সাইট ব্যবহার করা উচিত। 

অনলাইন থেকে Nid Card Download করতে হলে প্রথমে Nid BD সাইটে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। Nid Card check বা Nid Download করার জন্য একটি Nid Account তৈরী করতেই হবে। সুতরাং রেজিস্ট্রেশন করার জন্য রেজিস্টার করুন বাটনে ক্লিক করুন। 

 
 
নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড রেজিস্ট্রেশন
 
 

রেজিস্ট্রার করুন বাটনে ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত একটি ফরম আসবে। ফরমটি পূরণ করার সময় ১০/১৭ সংখ্যার এনআইডি নম্বর অথবা ভোটার নিবন্ধন স্লিপে থাকা ফরম নম্বর লিখতে হবে। তার পরের ঘরে জন্ম তারিখ লিখতে হবে। তার পরের ঘরে ক্যাপচা লিখতে হবে এবং সাবমিট বাটনে ক্লিক করতে হবে। 

 
নতুন ভোটার রেজিস্ট্রেশন ফরম

সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে পেজটি লোড হয়ে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা নির্বাচনের পেজে নিয়ে যাবে। এখানে আপনার বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার বিভাগ, জেলা এবং উপজেলা সিলেক্ট করতে হবে। বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা একই না হয়ে যদি ভিন্ন হয় তাহলে তা সঠিকভাবে সিলেক্ট করতে হবে। ভুল ঠিকানা দিলে একাউন্ট লক হয়ে যেতে পারে। Nid Account Locked হলে Unlock করার উপায়টা বেশ সময় সাপেক্ষ হতে পারে।

 
নতুন ভোটার রেজিস্ট্রেশন ফরম
 

পরবর্তী বাটনে ক্লিক করার পর নিচের ছবির মত পর্যায়ক্রমে মোবাইল নং ভেরিফিকেশন করার জন্য বলবে। 


নতুন ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড

১ নং ছবিতে মোবাইল পরিবর্তন বাটনে ক্লিক করলে ২ নং ছবির মতো পেজ আসবে সেখানে মোবাইল নম্বর দিয়ে বার্তা পাঠান বাটনে ক্লিক করলে ৩ নং ছবির মতো পেজ আসবে এবং আপনার মোবাইল নম্বর ৬ সংখ্যার একটি যাচাইকরণ কোড পাঠানো হবে। সেই কোডটি এখানে টাইপ করে বহাল বাটনে ক্লিক করতে হবে। তাহলে নিচের মতো একটি পেজ আসেব।

NID Wallet এর মাধ্যমে ভোটারের একাউন্ট তৈরী
 

এখন পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য আপনার মোবাইলে NID Wallet নামের একটি অ্যাপ ইনিস্টল করা থাকতে হবে। যদি NID Wallet App আপনার মোবাইলে না থাকে তাহলে Play Store এ গিয়ে NID Wallet লিখে সার্স করলে App টি পেয়ে যাবেন। Nid Account তৈরী করে National Id Card Download করার জন্য Nid Wallet এর কোন বিকল্প নেই।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড দেখার নিয়ম

NID Wallet App টি Install হওয়ার পর ওপেন করবেন। আপনার ক্ষেত্রে উপরের ছবিতে যে QR Code টি দেখা যাবে সেটি স্ক্যান করবেন। তারপর নিচের ছবির মত ফেস ভেরিফাই করার জন্য বলবে। 

 
Nid wallet verification for nid card download
 

Start Face Scan অপশনে ক্লিক করবেন। তারপর দেখবেন আপনার মোবাইলের ফন্ট ক্যামেরা ওপেন হবে। প্রথমে সোজাভাবে তাকাবেন Face Scan হলে মুখ বামে একবার ঘোরাবেন তারপর মুখ ডানে ঘোরাবেন। এভাবে তিন বার ফেস স্ক্যান করা লাগবে। ফেস স্ক্যান সঠিকভাবে হলে ২ নং নমুনা ছবির মত ফেস এর উপর টিক চিহ্ন দেখাবে। NID Wallet এর কাজ এ পর্যন্তই। 


এর পর দেখবেন ব্রাউজার রিফ্রেস হয়ে নিচের ছবির মতো আপনার ছবি দেখা যাবে এবং পাসওয়ার্ড সেটআপ করার জন্য বলবে। আপনি চাইলে আপনার পছন্দমত একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্টটি সিকিউর করতে পারেন অথবা এড়িয়ে যেতে পারেন। তবে পাওয়ার্ডটি সেট-আপ করলে অবশ্যই পাওয়ার্ডটি সংরক্ষণ করবেন।

New voter Nid card download

পাসওয়ার্ড সেটআপ করার জন্য সেট পাসওয়ার্ড বাটনে ক্লিক করবেন। এখানে প্রথমে একটি ইউজারনেম দেয়ার জন্য বলবে, আপনি চাইলে এখানে আপনার ইউজার নেম দিতে পারেন, না দিতে চাইলে ক্ষতি নেই। তারপর একটি পাসওয়ার্ড টাইপ করে পরের ঘরে সেটি পুনারয় লিখবেন। তারপর আপডেট বাটনে ক্লিক করবেন। 

তাহলেই তৈরী হয়ে যাবে আপনার Nid একাউন্ট এবং নিচের ছবির মত আপনার সামনে দেখা যাবে। এখন মাত্র এক ক্লিকেই আপনার National Id Card Download করতে পারবেন। (পরবর্তীতের একাউন্টে লগইন করার জন্য অবশ্যই ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করবেন)।


ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড পদ্ধতি

এখান থেকে ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করলে আপনার Nid Card Download / ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড হবে। যা দেখতে নিচের ছবির মত দেখাবে। অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা এই Nid Card কে Online Nid Card বলা হয়ে থাকে।নতুন ভোটারদের Online nid card

Online Nid Card টি পিডিএফ ফাইল ফরমেটে থাকবে। এই পিডিএফ ফাইলটি নিকটস্থ কোন দোকান/প্রতিষ্ঠান থেকে কালার (রঙ্গিন) প্রিন্ট করে লেমিনেটিং করে নিতে হবে। আপনি নতুন ভোটার বিধায় আপনার জন্য ফ্রি তে নির্বাচন কমিশন এই Online Nid Card টি দিবে। আপনি বার বার এই Nid Card / ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে চাইলে বার বার ডাউনলোড নাও হতে পারে। তাই পিডিএফ ফাইলটা সংরক্ষণ করুন। দ্বিতীয়বার ডাউনলোড করতে হলে ভোটার আইডি কার্ড উত্তোলনের ফি জমা দিয়ে ডাউনলোড করতে হতে পারে।

যারা পুরাতন ভোটার তারাও এই একই পদ্ধিতে মূল জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি বা Online Nid Card সংগ্রহ করতে পারবেন তাবে বিকাশ/রকেট অ্যাপ এর মাধ্যমে নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে। তারপর রিইস্যু অপশনে গিয়ে আবেদন দাখিল করতে হবে। এক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আপনার আবেদনটি অনুমোদন করলেই অনলাইন থেকে Nid Card Download বা ভোটার আইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

নতুন ভোটারদের Online Nid Card Download বা ভোটার আইডি কার্ড পাওয়ার উপায় সম্পর্কে যদি কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে কমেন্টস করে জানাবেন। আপনাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবো। লেখাটি ভালো লাগলে বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ...।

31 মন্তব্যসমূহ

  1. বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা পেজে নিয়ে যাচ্ছে না —এই সমস্যা হচ্ছে।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. হয়তো সার্ভারে সমস্যা আছে সেই জন্য এমন হচ্ছে। পরবর্তীতে আবার চেষ্টা করবেন হবে।

      মুছুন
  2. বয়স ২১। অনলাইন জন্মনিবন্ধন আছে। কিন্তু এখনো ভোটার আইডির জন্য আবেদন করা হয়নি। কিভাবে আবেদন করব জানাবেন।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. নতুন ভোটার হতে জন্ম নিবন্ধন সনদসহ আরো বেশ কিছু কাগজপত্র লাগে। অনরাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ অফিসে জমা দিলে নতুন ভোটার হওয়া যাবে। অনলাইনে নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আমাদের ওয়েবসাইটে দেয়া হয়েছে প্রয়োজনে দেখে নিতে পারেন।

      মুছুন
  3. নতুন ভোটার হওয়ার পর ছবি,ফিঙ্গার, আই ইত্যাদি নেওয়া হয়েছে। এখন কিভাবে। NID নাম্বার পেতে পারি,জানালে উপকৃত হতাম।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. বর্তমানে নতুন ভোটার হওয়ার পরে এনআইডি নম্বর মোবাইলে ম্যাসেজের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। যদি মোবাইলে ম্যাসেজ না পেয়ে থাকেন তাহলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা অনলাইন থেকে নতুন ভোটারদের এনআইডি নম্বর পাওয়ার উপায় সম্পর্কে আমাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেয়া হয়েছে প্রয়োজনে দেখে নিতে পারেন।

      মুছুন
  4. nid te amar ammur face mile na tai password set korte pari na
    Koroniyo ki?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আপনার আম্মু যখন ভোটার হয়েছিলেন তখন তার চেহারা যেমন ছিলো বর্তমানে হয়তো অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। তাছাড়া তখনকার ছবিগুলো খুব বেশি ভালো হতো না। তাই ফেস না মেলাটা স্বাভাবিক। এখন আপনি দুটো কাজ করতে পারেন। প্রথমত, কোন প্রকার আবেদন করতে হলে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে আবেদন করতে পারেন। দ্বিতীয়ত,আবেদন করে আপনার আম্মুর এনআইডি কার্ডের ছবি পরিবর্তন করে নিতে পারেন।

      মুছুন
  5. নতুন আবেদন করার কত দিন পর এনআইডি ডাউনলোড করা যাবে?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. নতুন ভোটারদের তথ্য মেইন সার্ভারে আপলোড করা হলে এবং অনুমোদন দেয়ার পর মোবাইলে এসএমএস এর মাধ্যমে এনআইডি নম্বর প্রেরণ করা হয়। এনআইডি নম্বর পাওয়ার পরপরই অনলাইন থেকে Nid Card Download করা যায়। অর্থাৎ Nid নম্বর পেলেই এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

      মুছুন
  6. আমি আমার আইডি কার্ড ডাউনলোড করি নাই,কিন্তু এখন ডাউনলোড করতে গেলে আমাকে ডাউনলোড করতে দিচ্ছেনা। কিছু নির্দেসনা দিচ্ছে, এখন আমার করনিয় কি???

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. নির্বাচন কমিশন যদি আপনার Nid Card প্রিন্ট করে ফেলে তাহলে অনলাইন থেকে আর ডাউনলোড হবে না। এক্ষেত্রে ডাউনলোড করার জন্য নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে Nid Reissue এর আবেদন করতে হবে। আবেদন অনুমোদন হলে মোবাইলে ম্যাসেজর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়। আবেদন অনুমোদন হওয়ার সাথে সাথে অনলাইনে লগইন করলে তখন Nid Card Download করতে পারবেন।

      মুছুন
  7. না, এটা কোন সমস্যা না। Smart Card Status Check করে যদি কোন তথ্য না পাওয়া যায় তাহলে বুঝতে হবে স্মার্ট কার্ড এখনো তৈরী হয়নি। Smart Card Status Check করলে যদি বক্স নম্বর, কম্পার্টমেন্ট নম্বর ইত্যাদি তথ্য দেখা যায় তাহলে বুঝবেন আপনার স্মার্ট কার্ড তৈরী হয়েছে। স্মার্ট কার্ড তৈরী হয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে আসার পর আপনি সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত স্মার্ট কার্ড না আসার সম্ভাবনাই বেশি। ততদিন যে Online Nid Card টি পেয়েছেন সেটি দিয়েই কাজ চালাতে হবে।

    উত্তরমুছুন
  8. Smart NID card এর জন্য কোন ওয়েব সাইটে আবেদন করতে হয় এবং সরকারি ভাবে কি নির্দিষ্ট ফি আছে?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. services.nidw.gov.bd এই সাইটেই Nid Card এর যাবতীয় কাজ হয়ে থাকে। তবে এখন পর্যন্ত আবেদন করে স্মার্ট কার্ড পাওয়ার কোন সুযোগ নেই। পরবর্তীতে হয়তো এ সুযোগ দেয়া হবে। ফলে স্মার্ট কার্ড উত্তোলনের ফি সম্পর্কে এখনি কোন তথ্য দিতে পারছি না।

      মুছুন
  9. আমার আইডিকার্ড সংশোধন করার জন্য আবেদন করেছিলাম।কিন্তু মেসেজ আসছে সংশোধন হয়েছে। এখন আমার একাউন্টে লগিন করে দেখি আমার প্রফাইল টিক হয়েছে।কিন্তু আমি আইডি কার্ড ডাউনলোডে গেলে এখানে আইডি কার্ড দেখায় না।আমি কি করা উচিৎ।।।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. Nid Card সংশোধন হওয়ার ম্যাসেজ পাওয়ার পরপরই যদি অনলাইনে লগইন করা হয় তাহলে Nid Card Download করতে দেয়। তাছাড়া সংশোধন হওয়ার পর অফিস থেকে এনআইডি কার্ড প্রিন্ট করে ফেললে অনলাইন থেকে আর Nid Card Download করতে দেয় না। এখন সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে সংশোধিত এনআইডি কার্ডটি সংগ্রহ করতে হবে দ্বিতীয় কোন উপায় নেই।

      মুছুন
  10. ইউনিয়ন পযায়ে আমি জাতিয় পরিচয়পএের সব কিছু করেছি,কবে পাবো বা কতো দিন পরে পাবো অনলাইন কপি যদি বলতেন ভালো হতো

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আপনার ভোটার তথ্য সার্ভারে আপলোড করার পরে মোবাইলে ম্যাসেজের মাধ্যমে এনআইডি নম্বর প্রেরণ করবে। Nid Number পাওয়ার পর উপরোক্ত উপায়ে অনলাইন থেকে Nid Card Download করতে পাবরেন। অর্থাৎ Nid number না পাওয়া পর্যন্ত অনলাইন থেকে Nid Card Download করা যাবে না। সুতরাং Nid Number পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

      মুছুন
  11. আমার এনআইডিতে ঠিকানা ভুল ছিল,,পরে সংশোধন করি,,
    তো অফিসে যে মহিলা দায়িত্বে ছিলেন ওনারে বলি যে আমার ভাইভা আছে কোনভাবে তাড়াতাড়ি আনা যায় কিনা,,তো ওনারা জানান যে হবে না,,,
    তো আমি বাইবা দেই যে টোকেনটা ছিল তা দিয়ে,,,,
    এখন পরবর্তীতে ভাইবার পর ওনারা হঠাৎই ফোন দিয়ে আব্বুকে জানায় তারা আইডি নিয়ে এসেচে খরচ হয়েছে টাকা,,,তাই তাদের দাবি ৫ হাজার টাকা,,
    এখন কথা হচ্ছে আমি কোন ডিল ছাড়াই কোন টাকা দিতে না করলে ওনারা আমায় এখন পরযন্ত আইডি ফেরত দেয়নি,,
    যদিও আমি টাকা দিতে চাই না,,আব্বু সম্মান করে তাও ১হাজার দিতে চেয়েছেন,,,কিন্তু ওনারা ৫ হাজারের কম নিবেনা,,এ অবস্থায় আমি কি করতে পারি,,,

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. Nid Card সংশোধনের আবেদন করার সময় আগে সরকারি ফি জমা দিয়ে তারপর আবেদন সাবমিট করতে হয় এবং এটাই মুলত খরচ। এর বাইরে যদি আরো টাকা চাওয়া হয় তাহলে বুঝবেন সেটা ঘু'ষ। আপনি ঘু'ষ দিতে রাজি থাকলে দেবেন আর দিতে না চাইলে অভিযোগ করতে পারেন। যে অফিস থেকে টাকা চেয়েছে তার উর্ধ্বতন অফিসের কর্মকর্তা বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ করতে পারেন। অর্থাৎ যদি উপজেলা অফিস থেকে টাকা চায় তাহলে কে চেয়েছে, কত টাকা চেয়েছে, কি কারণে চেয়েছে সে সব কিছু উল্লেখ করে জেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর লিখিতভাবে অভিযোগ করতে পারেন।

      মুছুন
  12. আমার NID ফরম নামবার আছে ,মোবাইলে মেসেজও আসছে কিন্তু জন্ম তারিখ দেওয়ার আসছে না এখন কি করবো??

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. সঠিক জন্ম তারিখ দিয়ে চেষ্টা করুন হবে। তারপরও যদি না হয় তাহলে নির্বাচন অফিসে গিয়ে এনআইডি নম্বর দিয়ে ভোটার তথ্য যাচাই করে দেখুন জন্ম তারিখ সঠিক আছে কি না এবং ভোটার তথ্য ম্যাচ ফাউন্ড হয়েছে কি না।

      মুছুন
  13. সাধারণত সরকারি ভাবে নতুন ভোটারদের ফেস,ফিঙ্গার দেওয়ার কতদিন পর কার্ড উতোলন করা যায়?
    আর ফোনে মেসেজ কতদিন এর মাঝে আসে??

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. নতুন ভোটার হিসেবে ছবি, স্বাক্ষর, বায়োমেট্রিক দেয়ার পর ঠিক কতদিন পর মোবাইলে ম্যাসেজ আসবে তা নির্দিষ্ট করে কখনোই বলা যায় না। কখনো কখনো ৭ দিনের মধ্যেই ম্যাসেজ চলে আসে আবার কখনো ১ মাসও লেগে যায়। তাই অপেক্ষা করা ছাড়া দ্বিতীয় কোন কাজ নেই। মোবাইলে এনআইডি নম্বরের ম্যাসেজ আসার পর পরই অনলাইন থেকে এনআইডি কার্ড ডাউনলোড করতে পারবেন।

      মুছুন
  14. ছবি উটানো হয়েছে কিন্তু অন্য দের আইডি কার্ড ছলে আছে আমারটা এখনো আসে নাই কেন

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. ধৈয্য ধরুন আপনারও আসবে। মোবাইলে এনআইডি নম্বরের ম্যাসেজ আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এনআইডি নম্বর পেলেই অনলাইন থেকে Nid Card Download করতে পারবেন। আর বেশি সমস্যা মনে করলে ভোটার নিবন্ধন স্লিপ নিয়ে অফিসে গিয়ে একটু খোজ করতে পারেন ভোটার তথ্যে কোন সমস্যা হয়েছে কি না।

      মুছুন
  15. ছবি তোলার পর কতদিন নাগাদ সময় লাগে ফোনে এসএমএস আসতে?
    আমার এলাকার আরও অনেকের দেখলাম ম্যাসেজ চলে আসছে এবং ওরা অনলাইন থেকে ডাউনলোডো দিতে পারতেছে। আমার ফোনে এখনো ম্যাসেজ আসে নাই। এবং ফরম কোড দিয়ে লগিন দিতে গেলে দেখায় আমার জন্ম তারিখ বা আমার ফরম কোড ভূল আছে। সে ক্ষেত্রে উপায় কি?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. ছবি তোলার কতদিন পরে এনআইডি নম্বরের ম্যাসেজ আসে সেটা নির্দিষ্ট করে কখনোই বলা যায় না। ধৈয্য ধরুন আপনারও এনআইডি নম্বরের ম্যাসেজ আসবে তখন অনলাইন থেকে Nid Card Download করতে পারবেন। যতদিন না পর্যন্ত এনআইডি নম্বরের ম্যাসেজ পাবেন ততদিন অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন হবে না ভুলই দেখাবে। সুতরাং অপেক্ষা করুন এনআইডি নম্বর পাওয়া পর্যন্ত।

      মুছুন
  16. অনলাইন থেকে যেই NID কার্ড টি ডাউনলোড হবে সেখানে যে ছবি দেওয়া থাকবে সেটা কি ভোটার নিবন্ধনের সময় তোলা ছবি থাকবে নাকি অ্যাপ থেকে যে ছবি তুলে নিবে সেটা থাকবে ?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. ভোটার নিবন্ধনের সময় যে ছবিটি তুলেছিলো সেটিই অনলাইন Nid Card এর উপর থাকবে এবং ভবিষ্যতে স্মার্ট কার্ডের উপরেও একই ছবি থাকবে। Nid Wallet এর এ্যাপ থেকে শুধু ফেস ভেরিফাই করার জন্য ছবি তুলে নেয়।

      মুছুন
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
নবীনতর পূর্বতন